শিরোনাম
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : | ০৮:৪২ পিএম, ২০২৫-০৮-৩১
রাঙ্গামাটিতে কলা গাছের সুতা দিয়ে নারীদের পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি ও শুকনো কলা পাতা ব্যবহার করে মাশরুম উৎপাদন বিষয়ক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩১ আগষ্ট) রাঙ্গামাটি শহরের সাবারাং রেস্টুরেন্টে আয়োজিত প্রদর্শনীতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উইভ এর নির্বাহী পরিচালক ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নাইউ প্রু মারমা (মেরী) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ( মারুফ)।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক পরিষদের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা সুচিং মারমা,রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান,এডভোকেট সুষ্মিতা চাকমা,নারীনেত্রী টুকু তালুকদার প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো হাবিব উল্লাহ (মারুফ) এনজিও কার্যক্রম শহর কেন্দ্রিক না করে দূরবর্তী দুর্গম এলাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের নিয়ে কাজ করার আহবান জানান।
তিনি আরও বলেন, উইভ এনজিওর মাধ্যমে কলা গাছের সুতা দিয়ে নারীদের পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করছে।কলা গাছ থেকে সুতা বের করে বাকি অংশ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করছে। উদ্যোগটি প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক।
রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান বলেন, কলা পাতা থেকে মাশরুম তৈরি হচ্ছে এবং কলা গাছের সুতা দিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি হচ্ছে খুবই ভালো উদ্যোগ। লোকাল মেশিন দিয়ে কলা গাছ থেকে সুতা তৈরি হচ্ছে। সুতা রৌদ্রে শুকানো হচ্ছে।কলা গাছের সুতা ও পাতা দুটো অর্গানিক পরিবেশ-বান্ধব। আমরা যদি আধুনিক মেশিন যুক্ত করতে পারি তাহলে এই প্রডাক্টগুলো উচ্চ মূল্য বিদেশে রপ্তানি করা যাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে বিশাল ভুমিকা রাখবে।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক নাইউ প্রু মারমা(নেলী) বলেন,আরএসএফ সোশ্যাল ফাইন্যান্স এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত Improved Menstrual Hygiene Practice and Economic Empowerment (IMHPPE) প্রকল্পের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এলাকায় পিছিয়ে পড়া ও সুবিধা বঞ্চিত নারীদের জন্য স্থানীয় সম্পদ কলা গাছের শুকনো কলা পাতা দিয়ে মাশরুম তৈরি ও কলা গাছের সুতা দিয়ে পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি ও ব্যবহার করে নারী ও কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং কলার শুকনো পাতা দিয়ে মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী করার জন্য প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে এবং সফলকাম ও হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি সদর ও কাউখালী উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৯টি গ্রামে তিনটি জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করছে। যার উপকার ভোগীর সংখ্যা ৩ হাজার বলে জানান তিনি।
এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন নারীনেত্রী টুকু তালুকদার, এডভোকেট সুষ্মিতা চাকমা।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে চতুর্থ দফায় পাওয়া গ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঋণের ‘উচ্চঝুঁকি’র দিকে ধাবিত হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ অর্থনীতিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় প্রাণচাঞ্চল্য এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের বাজারে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত সব ধরনের ফিডের দাম বেড়েছে। গত...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সরকারের নীতিগত ব্যর্থতার কারণে সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেছেন বিএ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited